প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরের যে কোন সময় ভর্তি!

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরের যে কোন সময় ভর্তি!

স্টাফ রিপোর্টার: অচেনা করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সারাদেশের বিদ্যালয়সমূহ বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কারণে ছাত্র-ছাত্রীগণ বর্তমানে শহর ছেড়ে গ্রামে অবস্থান করছেন। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বেশ কিছু বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে ছাত্র ছাত্রীগণ বিদ্যালয়বিহীন হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীগণ যাতে বিদ্যালয়বিহীন হয়ে ঝরে না পড়ে সেজন্য ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীগণকে বছরের যে কোন সময় তাদের বাসস্থান সংশ্লিস্ট ক্লাষ্টরের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে কিছু তথ্যাদি যাচাই করে ভর্তির কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এর স্বাক্ষরিত গত ৯ আগষ্ট একটি পরিপত্র জারি করেছেন বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

ওই পরিপত্রের একাংশে বলা হয়েছে, ‘‘যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে সে যে বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছিল তার আইড কার্ড/বেতন বই/স্লিপ/ক্লাস ডায়েরি/বই পুস্তক/খাতাপত্র ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তা যাচাই করবেন। এক্ষেত্রে কোন ছাড়পত্র (টিসি) প্রয়োজন হবে না।” আপনার সন্তানকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বাড়িতে বসে না রেখে আপনার পার্শ্ববর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করে সন্তানের কাঙ্খিত জীবন গড়তে সহযোগিতা করুন।

সিনিয়র সচিব এর পরিপত্র মোতাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার নওগাঁ সদর, নওগাঁর নির্দেশ মোতাবেক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গণ জুম মিটিং এর মাধ্যমে সকল প্রধান শিক্ষক গণকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেছে বলে বিটিবি নিউজের অনুসন্ধানের আয়নায় জানা গেছে। ওই ভিডিও কনফারেন্সে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাইয়ার সুলতানা, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. ওয়াহেদুল্লাহ প্রামানিক, এসএম আবু রায়হান, সূর্য্য কুমার অধিকারী, মো. আবদুল আমিন এবং পবিত্র কুমার প্রামানিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরেই থাকুন। আপনি নিজে বাঁচুন অন্যকে বাচাঁর জন্য সহযোগিতা করুন। আপনি নিরাপদ থাকলে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র তথ্য সরকার নিরাপদে থাকবে।  একদিন অন্ধকার কেটে আলো আসবেই।  তাই ঘরেই থাকুন।