দেশে পাটপণ্য ও পাটের রপ্তানি বেড়েছে ২৫ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রথম আট মাসে অন্যান্য খাতে রপ্তানি কমলেও পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। আর সার্বিকভাবে এই সময়ে রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ বৃহস্পতিবার রপ্তানি আয়ের এ সর্বশেষ পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। এতে দেখা যায় গত আট মাসে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৬৪১ কোটি ডলারের পণ্য, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম।

দেশে পাটপণ্য ও পাটের রপ্তানি বেড়েছে ২৫ শতাংশ

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সময়ে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি আয়  কমেছে। আর তাতে সার্বিক রপ্তানি সূচকে নেতিবাচক হয়েছে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী,এই আট মাসে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।

প্রধান রপ্তানিপণ্য পোশাক খাতেও কমেছে রপ্তানি। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ২ হাজার ১৮৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৬৩ কোটি ১৮ লাখ ডলারের, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ শতাংশ কম।

হোম টেক্সটাইল গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম রপ্তানি হয়েছে। এবার এ খাতে রপ্তানি হয়েছে ৫২ কোটি ডলারের পণ্য।

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৭ কোটি ডলারের, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম।

চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। প্রথম আট মাস শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি পিছিয়ে আছে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। গত অর্থবছর ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।