কর্তৃপক্ষ নিরব; দায় কার? পর্ব: ০১

ধামইরহাট পৌরসভার কাউন্সিলর পদের উপ-নির্বাচন ১১ বছর ধরে ঝুলছে

ধামইরহাট পৌরসভার কাউন্সিলর পদের উপ-নির্বাচন ১১ বছর ধরে ঝুলছে

স্টাফ রিপোর্টার: ধামইরহাট পৌরসভার একজন কাউন্সিলরের পদ গত প্রায় ১১ বছর আগে শুন্য হলেও আজ অবদি উপ-নির্বাচন হয়নি। কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে নিরব ভূমিকার সূতোই গাঁথা আছে বলেও মনে হচ্ছে। বিটিবি নিউজের অনুসন্ধানের আয়নায় জানা গেছে, গত ২০০৪ সালের জুলাই এ ধামইরহাট উপজেলার সদর ও উমার ইউনিয়নের কিছু এলাকা নিয়ে প্রায় ১১ দশমিক ১৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে পৌরসভা ঘোষনা করা হয়। প্রথম পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সেই সময়ের থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপল। প্রথম নির্বাচন হয় ৩০.০৫.২০০৬ খ্রি: তারিখে। মাত্র ২৬ ভোটে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপলকে পরাজিত করে সেই সময়ের সদ্য আওয়ামীলীগে যোগ দেয়া আমিনুর রহমান জয়লাভ করেন। সেই সময় জয়জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী (ছাতা মার্কা) মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপলের ৪৬ ভোট নষ্ট দেখানো হয়। ৯জন ওয়ার্ড কমিশনারের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত ৭জন নির্বাচিত হয়। মেয়র আমিনুর রহমানের মেয়াদ গত ২৬ ডিসেম্বর/২০১১ খ্রি: তারিখে শেষ হলেও আজও হয়নি ওই পৌরসভার উপ-নির্বাচন নির্বাচন। সেই সময় পৌর এলাকা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বেড়াডাংগা ও তালঝারি গ্রামকে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে অন্তরভূক্ত করনের জন্য উচ্চ আদালতে ২টি মামলা ছিল। যার ফলে নির্বাচন হয়নি। পরবর্তীতে এটি নিষ্পত্তি হলেও আজ অবদি কোন উপ-নির্বাচন হয়নি। অন্যদিকে গত ০৪.০৫.২০১১ খ্রি: তারিখে ধামইরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. হেলাল পদত্যাগ করে উমার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ভোট করে নির্বাচিত হন। ওই কাউন্সিলরের পদটি প্রায় ১১বছর যাবৎ শুন্য হলেও অদৃশ্য কারণে আজ অবদি উপ-নির্বাচন হয়নি। এর দায় কার হাতে?

আবার উপজেলা প্রশাসনের (http://dhamoirhat.naogaon.gov.bd/) ওয়েব সাইটের পৌরসভার পেইজে গিয়ে দেখা গেছে, পদত্যাগ করা হেলাল হোসেনের নাম এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তরভূক্ত আছে। তিনি পদত্যাগ করার পরও ‍দীর্ঘদিন ধরে কিভাবে তার নাম ওই ওয়েবে থাকে তা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন উকি-ঝুঁকি মারছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ধামইরহাট পৌরসভার নাগরিক সুবিধা-অসুবিধা, বিভিন্ন উন্নয়ন ও নানা বিষয় নিয়ে তদন্ত করলে আরো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলেও মনে হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের যরাজির্ণ ভবনে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্জক্রম চলছে।

মেয়র আমিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বিটিবি নিউজকে বলেন, তিনি ২০০৭ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলা ছিল। সেটি নিষ্পত্তি হয়েছে। ভোট বন্ধের কারণে ওইটা আর ডিক্লার হয়নি। কাউন্সিললের পদ শুন্য আছে। শুন্যপদ দেখিয়েছি আমরা।

চলবে .................................................................