কম ঘুমানোর পরিণতি জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

কম ঘুমানোর পরিণতি জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

বিটিবি নিউজ স্বাস্থ্য কথা: রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হলে শুধু আপনার শরীর অনেক ভাল থাকে।  ঘুম আপনার আপনার ত্বকের অফুরস্ত সৌন্দর্যও বাড়াতে পারে।  রাতে কম ঘুম হলে বা ঘুম না হলে আপনার সৌন্দর্যে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।  ঘুমের পরিমাণ কম হলে অনেক লক্ষণ আপনার সামনেই ভেসে উঠে। যেমন: চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ, চোখের নীচে কালিসহ ইত্যাদি। আপনার মন ও শরীরকে ফুরফুরে রাখার একমাত্র মাধ্যম হলো ঘুম। ভাল ঘুম হলে আপনার শরীরের ত্বকেরও লাবণ্যতা বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে ঘুমের ব্যঘাত ঘটলে ত্বককে নানাভাবে প্রবাহিত করতে পারে। ত্বকে ব্রণ, ত্ব শকিয়ে যাওয়া, ত্বকে অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন সমস্য দেখা দিতে পারে। যেমন:

১. ঘুম কম হলে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারায়।

২. ঘুমের অভাবে শরীরের ত্বকে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ঘুমের অভাব প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দূর্বল করে দিতে পারে। যার ফলে ত্বকে ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাছাড়া ঘুম কম হওয়ার কারণে ত্বকে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়।

৩. ঘুম কম হওয়ার কারণে আপনার ত্বকের কন্ডিশন বেশ খারাপ হতে পারে।

৪. আপনার শরীরের ত্বকে ব্রণ বা ত্বকের অন্যকোন সমস্যায় ভুগলে ঘুমকে প্রধান্য দিয়ে নিয়মমাফিক ঘুমানো খুবই জরুরী। রাতে ঘুম ভাল হলে ত্বকও নিরাময় ও নিরাপদ থাকে।

৫. রাতে ঘুম না হলে ত্বকের বার্ধক্য খুব দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়। তাই ত্বককে সতেজ করতে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে নিয়মিত ঘুম খুবই জরুরী।  ঘুম কম হওয়ার কারণে ত্বকের বার্ধক্য জনিত লক্ষণগুলো বেশ ফুঠে উঠতে পারে।

৬. সঠিক পরিমাণে ঘুম না হলে ত্বক শুষ্ক হওয়ার পাশাপাশি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭. ঘুমের অভাবে আপনার চোখের নিচের অংশে কালি দেখা দেয়। এটি আপনার পুরো চেহারাটিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

৮. ঘুমের সমস্যা হলে আপনার শরীরের ওজন বৃদ্ধি হতে পারে।  গবেষকরা বলছেন, ঘুমের অভাবে আমাদেরকে স্থূলত্বের দিকে পরিচালিত করে। ঘুমের অভাবে আপনার শরীরকে বেশি ক্ষুধার্ত করে তোলে।

৯. কম ঘুমের কারণে আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কমে।

১০. সঠিক পরিমাণে ঘুম না হলে আপনার হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।

১১. ঘুম কম হলে হজমের সমস্যা হয়।

১২. ঘুম না হলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকগুলো বৃদ্ধি পায়।

আপনার শরীর ও মনকে সু্স্থ্য ও সবল রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। তাই নিয়মিত ঘুম আপনার শরীরকে আরো আবেদনময়ী করে তুলতে পারে। তাই প্রতিদিন পরিমাণ মতো ঘুমের কাজটি সেরে নিন।