পানিতে চলবে মোটরসাইকেল!

পানিতে চলবে মোটরসাইকেল!


বিটিবি নিউজ ডেস্ক: মুঠোফোনের যুগে কত কিছুই না আবিষ্কার হচ্ছ।  যা আধুনিক বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে। দুনিয়াব্যাপী চলছে জ্বালানির শক্তিমত্তায়। জীবন যাপনের প্রতিটি চাকার সাথেই সভ্যতার চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে জ্বালানি।  নানা চাহিদাকে অতিক্রম করেছে আজকের জ্বালানি খাতগুলো।  জ্বালানি নিয়ে কতইনা কান্ড ঘটাচ্ছে আজকের দুনিয়ার মানুষগুলো। এর চাহিদা মেটাতে কখনও যুদ্ধ আবার কখনও মানুষও মারছে তারা।  তবুও জ্বালানি সমস্যার কোনো সঠিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করেনা।  যখন আমাদের দুনিয়ার প্রকৃতি প্রদত্ত জ্বালানি শেষ হয়ে যাবে তখন মানুষ কোন পথে ফিরবে? তখন মানুষ কি প্রাচীন অবস্থায় না ফিরে নতুন ইতিহাসের পথেই হাঁটবে?
সেই অবস্থার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনায় বিকল্প জ্বালানি নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গবেষকরা প্রতিনিয়ত গবেষনার কাজ করে যাচ্ছেন।  যারা গবেষনা করছেন তাদের মধ্যে অন্যতম একজন গবেষক হলো ব্রাজিলের রিকার্ডো আজভেদো।  রিকার্ডো আজভেদো তিনি নিজের প্রচেষ্টায় এবং মেধা খাটিয়ে তিনি এমন এক পদ্ধতি তৈরি করেছেন যেখানে মোটরসাইকেল চালাতে লাগছে না কোনো প্রকার জ্বালানি তেল।  তার উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মোটরসাইকেল চালাতে ১লিটার পানি দিয়েই প্রায় ৫শত কিলোমিটার পথ পাড়ি জমানো যাবে। 
ব্রাজিলের সাওপাওলোর রিকোর্ডো পানিকে একক ইউনিট হিসেবে নিয়েছেন এবং বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য তিনি ব্যবহার করেছেন একটি গাড়ির ব্যাটারি।  গাড়ির ওই ব্যাটারির বিক্রিয়ায় যে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়, তার ফলে পানির মলিকিউল হাইড্রোজেন বিভক্ত হয়।  এর জন্য মোটরসাইকেলের জন্য যে পরিমাণ শক্তি দরকার হয় তা ওই পানিতেই পাওয়া যায়।  রিকোর্ডোর গবেষনাটি বড় পরিসরে এর ব্যবহার এখনও বিশ্বে শুরু হয়নি বলেও জানা গেছে।  আগামী শতক আসার আগেই মানুষ বিকল্প জ্বালানির আবিষ্কার করতে পারে।
ব্রাজিলের ওই গবেষক রিকার্ডো আজভেদো প্রথম পানিকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেননি। তার আগেও জাপানের একটি কোম্পানি বিগত ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে ওসাকাতে পানি দিয়ে চালিত একটি গাড়ির সফল পরীক্ষা করেছিল।  তার বেশ আগেই স্ট্যানলি অ্যালেন নামের আরেক ব্যক্তি পানি দিয়ে গাড়ি চালিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।  স্ট্যানলি অ্যালেন পানিকে ফুয়েলে রুপান্তরিত করার প্রথম পদক্ষেপটিই নিয়েছিল।