আপনার সচেতনতায় গড়ে তুলুন করোনা মুক্ত বাংলাদেশ

আপনার সচেতনতায় গড়ে তুলুন করোনা মুক্ত বাংলাদেশ

মো: আব্দুল বারি খান, সম্পাদক ও প্রকাশক: বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। করোনার প্রথম ঢেউয়ে রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছিল সাধারণ মানুষ। ভয়াবহ অবস্থা চীন, ইরান এবং ইতালিসহ অনেক দেশ। এই সমস্ত জায়গায় ক্রমশ বেড়েছে মৃত লাশের লাইন। গোটা বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাধারণ মানুষকে। তবে বিজ্ঞানীরা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

সারা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে মহামারি করোনা থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশ সরকারের নিদের্শনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সারা দেশের জেলা-উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, তথ্য অফিস, সেনাবাহিনী, র‌্যাব দেশের সর্বস্তরে জনসচেতনতামূলক নানা নিয়মকানুনসহ যেভাবে প্রচার-প্রচারনা করা হচ্ছে সেটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। আবার এসকল কার্যক্রমসহ নানা ধরনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে জনস্বার্থে সরকারকে তাৎক্ষণিক অবগত করছে সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিএসবিসহ বিভিন্ন সংস্থা দপ্তরগুলো। তারা নিজের জীবনের, পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে আতংকের মাঝে থেকে আপনাদের জন্য নিবেদতি প্রাণ হিসেবে সন্মুখ সারির যোদ্ধার আসনে বসে কাজ করে যাচ্ছেন।  

দেশের জেলা-উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র‌্যাবের কঠোর ভূমিকার কারণে বেশ পরিবর্তন হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় ও  জেলা শহরের মানুষগুলো আতংকিত থেকে সরকারের নিদের্শনা মানার চেষ্টা করলেও  বর্তমানে দেশের কিছু জায়গা ও গ্রামগুলোতে একটু ভিন্ন চিত্র। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো গলাফাটিয়ে সচেতন করাসহ নানা নির্দেশনার কথা বললেও মনে হচ্ছে অনেকের কানেই ঠুকছে না করোনা থেকে বাঁচার জন্য সরকারের এ সকল নির্দেশনাগুলো। এতো বুঝানোর পরও  শহর ও গ্রামের রাস্তায় মানুষ চলাচল করছে ও ছোট খাটো যানবাহনগুলো দেদাছে চালাছে। বুঝানোই যাচ্ছে না কাগজে কলমে পড়া লেখা করা মানুষগুলোসহ গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোকে। মানুষ যদি করোনার ক্ষতিকারক দিকগুলো মন থেকে আমলে নিতে পারতো তাহলে সরকারের নিদের্শ মানা ও জনসচেতনতাকে মহাঔষধ হিসেবে গ্রহন করত। আর এর ভয়ে মানুষ ঘরের জানালা পর্যন্ত খোলা রাখতো না। বাংলাদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে বলেই অনেকেই বিনা প্রয়োজনে অযথা বাহিরে ঘুরাফেরা করছে এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না।

করোনার থাবায় কেহ মারা গেলে তার কাছে আপনি যেতে ভয় পাচ্ছেন। অথচ যে করোনায় মানুষ মারা যাচ্ছে সেই করোনার ভয় আপনার মধ্যে ঢুকছেনা কেন? আপনি যদি এভাবে  সরকার তথা প্রশাসনের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে বেপরোয়াভাবে চলাফেলা করতে থাকেন তাহলে আপনার জন্য আগামীতে ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। আপনি কি আপনার এলাকায় করোনা তান্ডবে ঘায়েল করা মানুষের মৃত্যুর মিছিল দেখতে চান? সাধু সাবধান এখনো সময় আছে। গায়ের জোরে এতো কিছু না করে সরকারী সকল নির্দেশনা অনুসরণপূর্বক আপনার আগামী প্রজন্মের জন্য জীবনকে নিরাপদ রাখুন। অন্যথায় নিভে ও ধুলিষ্যাত হয়ে যাবে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যত আশা ভরসা। আগের যুগের মানুষ হয়তোবা না খেয়ে মরেছে। কিন্ত বর্তমান যুগের মানুষগুলোকে এখন আর না খেতে মরতে হয়না। এ ব্যাপারে সরকার অনেক দায়িত্বশীল।

করোনা পরিস্থিতিতে বিপদে পড়েছেন নিম্ন আয়ের দিনমজুর শ্রমজীবী এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা। করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়, দরিদ্র, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে রয়েছে সরকারসহ বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। করোনার প্রথম ঢেউয়ে সরকার আপনার ও আপনার পরিবারের জীবন নিরাপদ রাখতে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক  সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে আপনার বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিয়েছে। এখনও সেই পথেই হাঁটছে সরকার তারপরও কি আপনার হুশ হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো আপনার জীবন বাঁচানোর জন্য অছিলা হিসেবে কতই না আকুতি মিনতি করছে। এখনও সময় আছে জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে আপনিও জেগে উঠুন। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়ম কানুন মেনে চলুন। আপনার জীবনের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে সরকারি নির্দেশনা মেনে আপনিও জেগে উঠুন এবং সচেতন হউন। সকলকে সহায়তা করুন, সতর্ক করুন এবং নিজে সতর্ক থাকুন। অন্যথায় আপনার অসচেতনায় আপনার পরিবার থেকে করোনার বিষ দাঁতের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর মিছিলটি আরো লম্বা হতে পারে।

এই সংকটময় অবস্থায় এখন নিজে নিজেকে সাহায্য করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি, আমি বা আমাদের পাশের ব্যক্তিটি কেউই আসলে আমরা নিরাপদ নই, তাই সকলের সাথে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সমস্যা মোকাবিলাকে ভয় না পেয়ে সাহস ধৈর্য্যের সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা এবং গুজব, অবৈজ্ঞানিক বা যথোপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া, মিডিয়া-সোশ্যাল মিডিয়ার বানোয়াট নানা খবর বা ভিডিও দেখে আতঙ্কিত না হয়ে আসুন অন্যকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিজে নিজেকে সহযোগিতা করি।

কোভিড-১৯ এর প্রভাবে বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা সবাই এখন অবগত এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতিও বেশ ক’দিন ঝুঁকির মুখে। এই পরিস্থিতিতে আপনি চাইলেই হয়তো আপনার মনের আতঙ্ককে নির্মূল করতে পারবেন না, কারণ প্রতিনিয়তই করোনাভাইরাস সম্পর্কিত খবরা-খবর আপনার কানে আসছে এবং ভেসে বেড়াচ্ছে। আপনি যদি করোনা নিয়ে অতিমাত্রায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে থাকেন এবং দিনের বেশিরভাগ সময় যদি এরকম ভাবেন, "আমি যদি করোনায় আক্রান্ত হই? তাহলে আমার কী হবে, কী করব? এরকম চাপে থাকলে শরীরে খুব দ্রুত রোগের সংক্রমণ হতে পারে। যখন বিপদে পড়ে ডাক্তারের পরামর্শ অবলম্বন করতে হয় তখন আমরা নিজেদেরকে পরিবর্তন করতে চাই, আসলে তখন কিন্তু সময় অনেক সংক্ষিপ্ত। পরিবর্তন কিন্তু একদিনে তৈরি হয় না, এটা দীর্ঘদিন অনুশীলনের ফলাফল। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে নিজের যত্ম নেয়া আমাদের জীবনের একটি অংশ। হোম কোয়ারেন্টাইনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আপনার রোগ সংক্রামনের সম্ভাবনা কমে যাবে। আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন, সময়মতো খাবার গ্রহন, ঘুম এবং ঘরে বসেই শারীরিক ব্যায়াম অনুশীলন করতে পারেন। বুঝতে হবে এই পরিস্থিতিতে কোন কোন বিষয়গুলো নিজের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেই বিষয়গুলো ঘরে বসে অনুশীলন করা।

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা, এই বিষয়গুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসের সাথে যুক্ত হতে পারে, যা শুধু করোনা মোকাবিলায় সহায়ক হবে তা নয়, অন্যান্য রোগ জীবানু থেকেও সুরক্ষিত রাখবে। একটা কথা ভাবুন, আপনার সচেতনতা এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকার ফলে আপনার নিজের পাশাপাশি আপনি অন্যদের সুরক্ষার কাজ করছেন সেটা আপনার জন্য মানসিক রিওয়ার্ড বা প্রশান্তি হিসেবে কাজ করবে। তাছাড়া আপনি অন্যদের চোখে রোল মডেল হিসেবেও কাজ করতে পারেন। ঘরের বাইরে বেড় হওয়ার বিশেষ প্রয়োজন হলে সরকারের সংশ্লিস্ট দপ্তরের নিয়ম-কানুন মেনে এবং পারসোনাল প্রটেকশনের জিনিসগুলো (মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লবস্) সাথে রেখে বের হতে পারেন। আর চেষ্টা করুন নাকে-মুখে হাত না দেয়ার। তাহলে আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

দিনে দিনে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। আপনার জীবন বাঁচাতে সরকার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো আপনাকে কতক্ষণ পাহারা দিয়ে রাখবে। আর এভাবে কি আপনাকে পাহারা দিয়ে রাখা যাবে? লকডাউন, জরিমানার ভয় দেখিয়ে, কখনো কখনো মারপিট করেও সাবাইকে সরকারের নিয়মের ফ্রেমে শতভাগ নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা। এই মুহুর্তে প্রত্যেককে সরকারি নিয়ম মানা, সচেতন হওয়া এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণ ছাড়া শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকারি নিময় না মানার কারণে আপনার ও আপনার পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রেরই ক্ষতি হচ্ছে। আজকের করোনা ভাইরাসের মহামারির যে বিপদ তা আমাদের জীবদ্দশায় হয়তোবা কেউ দেখেনি। একরাণে এখান থেকে বাঁচার জন্য গুজবে কান না দিয়ে নিরাপদ দূরে থাকুন। রাষ্ট্রের নির্দেশনাগুলো অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলুন। বিনা প্রয়োজনে বাহিবে যাবেন না। ঘরেই থাকুন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিশেষ জরুরী প্রয়োজন সেরে নিন। নিজেকে নিরপদ রাখুন। পরিবারকে নিরাপদ রাখুন। তাহলেই রাষ্ট্র বনাম সরকার নিরাপদ থাকবে ইনশাল্লাহ্।

লকডাউন করেও কিন্তু রোগের বিস্তার ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসকরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা কাজে লাগিয়ে চিকিৎসার সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। রোগি সংখ্যার লাইন দীর্ঘ হচ্ছে হাসপাতালগুলো সংকুলন হচ্ছে না অনেক হিমসীম খেতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমাদের দেশে রোগ যেন কম ছাড়ায় সে দিকে সকলের সজাক দৃষ্টি রাখতে হবে যাতে করে প্রতিরোধ করতে পারি। সরকার বা ডাক্তারসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা করতে চাইলে সবার আগে নিজেকে সাহয্য করতে হবে। কারণ আপনে বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ। আপনি/আপনার পরিবার/সমাজ যদি নিরাপদ রাখেন তা হলে সরকার নিরাপদ থাকবে। তাহলেই বাঁচবে গোটা দেশে জাতি। শুধু সরকারি সুযোগ-সুবিধা, নিয়ম-কানুনের দিকে না তাকিয়ে  আমাদের নিজেদের জ্ঞান বিবেককে কাজে লাগিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকাটাও খুবই জরুরী। পৃথিবীতে যে পরিমাণ অন্যায়, অত্যাচারসহ যে অমানবিক আচরনের ষ্টিমরোলারের জাতাকলে পড়ে শান্তিপ্রিয় মানুষগুলো হাবু-ডুবু খাচ্ছে এর কারণেই হয়তোবা এটি একটি আল্লাহ্র গজব। প্রাকৃতিকভাবে দুনিয়াতে একটি শাস্তি শুরু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সমাজে অন্যায় অত্যাচার, নির্যাতন, অন্যায়ভাবে সম্পদের পাহাড় বানানো, খাদ্যে ভেজাল, সুদ, ঘুষ-দুর্নীতির উর্ধ্বে থেকে ভুলগুলো সুধরে নিয়ে জনআখাংকাপূরণে সরকারের সকল নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি যে যে ধর্মই পালন করুক না কেন আমরা স্ব-স্ব জায়গা থেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে অন্তর থেকে তৌবাসহ ক্ষমাপ্রার্থনা করতে পারলে হয়তোবা আল্লাহ্ আমাদের মাফ করে দিয়ে রোগের বিস্তার থেকে রক্ষাসহ মুক্তি দেবেন ইনশাল্লাহ্।

তবে মনোবল শক্ত রাখুন। এটা একটা অচেনা শত্রুর সাথে যুদ্ধ। ভয়ানক একটা ছোঁয়াচে ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের অঘোষিত যুদ্ধ। আমাদের যুদ্ধ কৌশল হলো আমরা ভাইরাসকে আমাদের শরীর স্পর্শ করতে দিবনা। তার জন্য যত ধরণের নিয়ম আছে তা পালন করে যাব। সাময়িক কষ্ট হলেও তা করব। মনে রাখবেন, অগ্নিকান্ডে শেষ সম্বলটুকু ভস্মীভূত হওয়ার পরও একজন মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়ায়। সুতরাং মনোবল হারানো যাবেনা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, পুলিশ বিভাগ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, দায়িত্বশীলরাসহ অনেকেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিএসবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদেরকে সহযোগিতা করুন। পরিচ্ছন্নতার নিয়মকানুন মেনে চলুন। অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন না। মনোবল শক্ত মনে সাহস রাখুন আলো আসবেই। অন্ধকার দূরীভূত হয়ে আলো আসবেই। সরকারি নিদের্শনা মেনে চলার সাথে আপনার জীবন নিরাপদ ও সুন্দর হোক সেই প্রত্যাশায় আপনার ও আপনাদের সচেতনায় গড়ে উঠুক করোনা মুক্ত প্রিয় বাংলাদেশ তথা গোট বিশ্ব।