September 22, 2018 11:28 am
Breaking News
Home / বিটিবি নিউজ ভিডিও / যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার

যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার

যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার

বিটিবি নিউজ ডেক্স: বদলে যাচ্ছে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে সকাল থেকেই সড়ক, নৌ ও রেলপথে ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের দৃঢ় ভূমিকা থাকায় সব ধরনের ঝামেলা কাটিয়ে ঈদযাত্রার পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার। এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ঈদযাত্রায় জনগণের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে চলাফেরা নিশ্চিত করতে অন্যান্য বছরের মত এবারও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সজাগ ছিল। এ বছর রমজানের আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছিল মন্ত্রণালয়। সম্পৃক্ত করা হয়েছে সকল স্টেক-হোল্ডারদের। এবার সমন্বয় সভাগুলো করা হয়েছে মাঠপর্যায়ে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর এবং ফেনীতে চারটি সমন্বয় সভার মাধ্যমে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়। মূলত, সমন্বয় সভায় জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতায় সকল ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আনন্দের সাথে এবারের ঈদ কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরেছেন সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, ঈদের আগের চারদিন এবং পরের চারদিন চব্বিশ ঘন্টা সারাদেশের সিএনজি স্টেশনসমূহ খোলা ছিল। ঈদের আগে তিনদিন মহাসড়কে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, কাঁচা চামড়া এবং জ্বালানী বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত ছিল। যার কারণে মহা সড়কগুলোতে বাড়তি যানবাহনের কোনো চাপ ছিলো না। মহাসড়কে যানবাহনের গতি অব্যাহত রাখতে ঈদের পূর্বের সাতদিন এবং পরে সাতদিন সুনির্দিষ্ট পূর্ব তথ্য ব্যতিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সড়কের উপর মোটরযান থামায় নি। কোনোভাবেই ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলতে দেয়া হয় নি। ঢাকা মহানগরীতে যত্রতত্র পার্কিং বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সড়ক-মহাসড়কের যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো করতে দেয়া হয় নি। এসব কারণেই যাত্রী ভোগান্তি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। একইভাবে নৌ পথেও ছিলো বাড়তি নিরাপত্তা। সড়ক পথের মতো নৌ পথেও ফিটনেসবিহীন লঞ্চ, স্টিমার নদীতে নামানো হয় নি। এছাড়া কোনো লঞ্চ বা স্টিমারে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয় নি। এ প্রসঙ্গে কথা হয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সঙ্গে। তিনি বলেন, যাত্রী সুবিধা নিশ্চিতে গত বছরগুলোর মতো এবছরও যথেষ্ঠ সজাগ ছিলো সরকার। যার কারণে গত কয়েক বছর বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সে কথা মাথায় রেখে আমাদের এ প্রয়াস আগামীতেও অব্যহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ। এর আগে একনেক সভায় দেশের ৫টি বিভাগে ১০১টি জেলা সড়ক প্রশস্তকরণ এবং মজবুতিকরণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছিল এছাড়াও ৩টি বিভাগের জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কে ২৩টি সেতু, ২৪২টি কালভার্ট, ৩টি রেলওয়ে ওভারপাস, ১৪টি সড়ক বাইপাস, ২টি আন্ডারপাস, ৩৪টি স্টীল ফুটওভার ব্রীজ, ৬১টি বাস-বে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক যাত্রী ছাউনী নির্মাণ করা হয়েছে।

About BTB News

Check Also

সিলেটে আরিফ জামায়াত বিরোধ শুরু হয় ‘উইমেন্স মেডিকেল কলেজ’ ভাঙা নিয়ে

সিলেট বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও কিছুতেই জামায়াতকে নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না …

বহরমপুর এলাকায় রেল লাইনের পাশের বস্তিবাসীর বসত বাড়ি বস্তি উচ্ছেদ

 

জোটের হিসাবনিকাশ নির্বাচনী তৎপরতার গতিবিধি

 

রাসিক নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জঙ্গি হামলার নীল নকশা

 

বুলবুলের নির্বাচনী অপপ্রচারের শিকার কোমলমতি শিশুরা

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *