Home Uncategorized বদলে গেছে শহর-গাঁও, উন্নয়নের সোনার নাও! ডিজিটাল সেবার কায়দায় বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ ডিসি...

বদলে গেছে শহর-গাঁও, উন্নয়নের সোনার নাও! ডিজিটাল সেবার কায়দায় বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ ডিসি ড. আমিনুর ও এসপি ইকবাল যেন এক বৃন্তে দুটি ফুল

43
0
SHARE

পর্ব-০১
বদলে গেছে শহর-গাঁও, উন্নয়নের সোনার নাও!
ডিজিটাল সেবার কায়দায় বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ ডিসি ড. আমিনুর ও এসপি ইকবাল যেন এক বৃন্তে দুটি ফুল
মো: আব্দুল বারি খান: নওগাঁর ডিজিটাল ও রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ ডিসি ড. আমিনুর রহমান এবং নওগাঁর আইনী সেবার আস্থার কেন্দ্র এসপি ইকবাল হোসেন হাঁটি হাঁটি পা-পা করে এগিয়েই যাচ্ছেন দূর থেকে বহু দূ-রে। জনগনের দোঁড়গোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছানোর নিশ্চয়তায় এবং আইনী সেবা জনগনের মনের আঙ্গিনায় পৌঁছাতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন নওগাঁর ডিসি আমিনুর রহমান ও এসপি ইকবাল হোসেন। সেবার ক্ষেত্রে আন্তরিকতায় তারা যেন একই বৃন্তে দুটি ফুল। গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোই। সারা দুনিয়া যখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় হুলুস্থল পড়েছে ঠিক সেই ছোঁয়ার সম্ভাবনা থেকে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। পিছিয়ে নেই ডিজিটাল ডিসি নওগাঁর জেলা প্রশাসনের অভিভাবক ড. আমিনুর রহমান ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্ণধার ইকবাল হোসেন। কাজের স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতার জন্য দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, ন্যায়ের পক্ষে বন্ধু সুলভ আচরণের মানব প্রেমিক ড. আমিনুর রহমান ও ইকবাল হোসেন। তাঁদের দপ্তরের সকল কাজগুলো ডিজিটাল করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যে কোন সভা-সেমিনারসহ কোন মিটিং-এ তারা উপস্থিত হলেই অংশগ্রহণকারীরা প্রাণ খুলে মনের তৃপ্তিতে দায়িত্ব পালন করেন। ডিসি ড. আমিনুর রহমান তাঁর কথা বা বক্তব্যের পালা আসলেই উপস্থিত সবাই নিরব হয়ে যায়। তাঁর কথার সুরে এমন এমন উদাহরণ বা কথা থাকে যা শুনলে যে কেউ বিষ্ময়ে বিমুঢ় হয়ে যাবে। তাঁর কথা থেকে নানা শিক্ষনীয় বিষয়ও লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই তার ওই সকল কথাগুলো পুজি করে পরবর্তীতে কাজে লাগান। উর্ধতন কর্তপক্ষও যদি কখনও আসে তখনও তিনি বক্তব্যের মাঝে মজার মজার উদাহরণসহ সবাইকে তাক লাগিয়ে আলোচনা করে থাকেন।
সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সেবা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে তাঁর সঙ্গে নানামুখী সহযোগীতা করে যাচ্ছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ডিডিএলজি মো: আহসান হাবিব, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (সার্বিক) মো: মাহবুবুর রহমান, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মো: শাহনেওয়াজ, এনডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারি কমিশনার শুভাশিস ঘোষ, ভুমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা বেগম জয়া মারীয়া পেরেরা, সহকারি কমিশনার (শিক্ষা নবিস) জেরিন সুলতানা, তানিয়া, শেখ এহসান উদ্দিন এবং নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশতানজিদা পারভীন, মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুজ্জামান, মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোবারক হোসেন, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ মোঃ মাহফুজুল আলম, বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম আলী বেগ, পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজ মাহমুদ, আত্রাই ও রানিনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোখলেছুর রহমান, পতœীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মালেক, সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়া, ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভুইয়া এবং আত্রাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেগম জয়া মারীয়া পেরেরা, মান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফায়সাল আহমেদ, মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম. হাবিবুল হাসান, পতœীতলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল করিম, রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিলুফা ইয়াছমিন, সাপাহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অতিরিক্ত দায়িত্বে ফাহাদ পারভেজ বসুনিয়া, সহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
বিগত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর এক প্রোগ্রামে দেশের সকল ডিসিদের পক্ষ থেকে নওগাঁর ডিজিটাল ডিসি ড. আমিনুর রহমানকে কথা বলার সুযোগও দেয়া হয়েছিল। সেই কারণে উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাময় শিল্প নগরি নওগাঁর পরিচিতি দেশ-বিদেশের বুকে আরো এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি নওগাঁ ডিসি ড. আমিনুর রহমান অনেক প্রশংসাসহ অনেক সম্মান ও সুনামও কুড়িয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ ডিসি হিসেবে সম্মাননাও পেয়েছেন।
বিটিবি নিউজের অনুসন্ধানের আয়নায় দেখা গেছে, যুগের সাথে তালমিলিয়ে নওগাঁ জেলা প্রশাসন অফিসে অপটিক্যাল ফাইবার সম্বলিত দ্রুতগতি ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। সবাই যেন নিরলসভাবে কাজ করতে পারে এবং কাজের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ডিসি অফিস, রেকর্ড শাখা, পাটপোর্ট অফিস, আইসিটিসি বিভাগ, রাজস্ব শাখাসহ উল্লেখ যোগ্য দপ্তরগুলো সিসিটিবি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া রাজস্ব শাখায় আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনার ফাইভ এজ কৌশল ব্যবহার করে ভূমি অধিগ্রহণ শাখা এবং ভিপি শাখার সকল নথি সমূহকে বছর ওয়ারি এবং থানা ওয়ারি হিসেবে বিভিন্ন সেলফে থরে থরে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে। এতে এক দিকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। অন্য দিকে সেবা গ্রহিতাদের দ্রুত সময়ে সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। উল্লেখ্য জেলা সদরে সকল ভিপি দোকান সমূহে তথ্য বহুল একটি ভিপি বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এতে সহজে সরকারি সম্পত্তি চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। যা জেলায় মডেল হয়ে কাজ করছে। তবে জেলা প্রশাসনের আইসিটিসি বিভাগের কাজের গতি আরো বাড়ানোর পাশাপাশি স্ব-স্ব দপ্তরের কাজগুলো তাৎক্ষনিক আপডেট করার পক্ষে অনেকেই মতামত প্রদান করেন এ প্রতিবেদকের মাধ্যমে। ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহারের মাধ্যমে অফিসে আগত সাংবাদিকগণ যাতে সরাসরি সংবাদ প্রেরণ করতে পারেন তার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে। এছাড়াও জেলার প্রতিটি ইউনিটকে ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার কাজ চলমান। তথ্য প্রযুক্তির যুগে যে কোন তথ্য সেবা প্রদান অথবা কোন অভিযোগ জনগণ যাতে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ দায়ের করতে পারেন সে লক্ষ্যে কাজ চলছে বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। সরজমিনে জেলা প্রশাসনের সাধারণ শাখায় গিয়ে দেখা গেছে, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আন্তরিকতা, কাজের দক্ষতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের রাজস্ব, সার্বিক, তথ্য ও গোপনীয় শাখা, রেকর্ড রুমসহ বেশ ক’টি শাখায় গিয়ে কাজের স্বচ্ছতা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আন্তরিকতা লক্ষ্য করা গেছে।
জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমান বিটিবি নিউজকে জানান, সরকারি নির্দেশনা পালনের পাশাপাশি গ্রামে-গঞ্জে সরকারের ডিজিটালের সর্বোচ্চ সেবা জনগণের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য এবং জেলা প্রশাসনের সেবার মান আধুনিক ও উন্নরোত্তর বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই আমাদের এত সবের আয়োজন।
অপর দিকে আইনের সেবা ভুক্তভোগীদের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পুলিশ সুপার মো: ইকবাল হোসেন তার সঙ্গীয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রকিবুল আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহাদেবপুর সার্কেল আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল লিমন রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পতœীতলা সার্কেল তারেক জুবায়ের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার রেজাউল করিম, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার সাপাহার সার্কেল সামিউল আলম, সহকারি সিনিয়র পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফারজানা হোসেন, সহকারি পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সদর মতিয়ার রহমান, সহকারি পুলিশ সুপার মান্দা সার্কেল হাফিজুল ইসলাম, ডিআই-১ মোসলেম উদ্দিনসহ তার সঙ্গীয়রা, নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ওসি ডিবি জাকিরুল ইসলাম, জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, তদন্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম, মহাদেবপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, নিয়ামতপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম খান, তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক, বদলগাছী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন, তদন্ত কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান, ধামইরহাট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম , তদন্ত কর্মকর্তা ছানোয়অর হোসেন, সাপাহার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম শাহ, তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, পোরশা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, তদন্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম, আত্রাই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, তদন্ত আকরাম হোসেন, রানীনগর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এস এম সিদ্দিকুর রহমান, তদন্ত কর্মকর্তা জহুরুল ইসলামসহ সকল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে রাত-দিন কাজ করছে বলেও জানা গেছে।
সুন্দর আগামীর জন্য সমাজে আইনের সেবা প্রদানে গণমূখী টেকসই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গড়ে তুলতে ইতি মধ্যে নানা কর্মসূচী মনের আয়নায় আঁকিয়েছেন পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন। এছাড়া সংবাদ কর্মীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত সু-শৃংখল এবং গনমূখী সমাজ ব্যবস্থা নিশ্চিত কল্পে সকলের কার্যকরী সহযোগিতা কামনাও করেছেন তিনি। তিনি এ জেলায় যোগদানের পর অল্প সময়ে তার সঙ্গীয়দের হৃদয়ে স্থান পেয়েছে এবং আইনী সেবায় মানুষের আস্থায় পরিণত হতে চলেছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার পুলিশ বাহিনীর নানা অনিয়ম ও বিশৃঙ্খল আইন-শৃঙ্খলাকে সাজানোর জন্য দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের চাকর, ন্যায়ের পক্ষে বন্ধু সুলভ আচরণের মানব প্রেমিক এসপি ইকবাল হোসেন। তাঁর স্বপ্ন, সংগ্রাম, জ্ঞান আর সাধনার দ্বারা তিনি যখন যেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন তখন সেখানেই জনবান্ধব, গণমূখী ও জবাবদিহিতামূলক পুলিশী ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা ফিকির করে যাচ্ছেন বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। তথ্য প্রযুক্তির যুগে এই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে নওগাঁ জেলা পুলিশও পিছিয়ে নেই। যুগের সাথে তালমিলিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ অফিসে অপটিক্যাল ফাইবার সম্বলিত দ্রুতগতি ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ অফিসে আগত সাংবাদিকগণ যাতে সরাসরি সংবাদ প্রেরণ করতে পারেন তার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে। এছাড়াও জেলার প্রতিটি ইউনিটকে ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার কাজ চলমান। তথ্য প্রযুক্তির যুগে যে কোন তথ্য সেবা প্রদান অথবা কোন অভিযোগ জনগণ যাতে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অথবা থানায় দায়ের করতে পারেন সেলক্ষ্যে কাজ চলছে বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। এছাড়াও জেলার থানাগুলোতে নারী ও শিশু ডেস্ক খোলা হয়েছে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ওয়ানস্টপ সেন্টার চালু করা হয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও জরুরী কাজে বিদেশগামী লোকজনকে অতিদ্রুত এমনকি এক দিনের মধ্যেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
এসপি ইকবাল হোসেন বিটিবি নিউজকে বলেন, বাংলাদেশকে একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ার সহায়তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা বিশ্ব দরবারে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করতে এবং জনবান্ধব, গণমূখী ও জবাবদিহিতামূলক পুলিশী ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি প্রজাতন্ত্রের চাকর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে ঢেলে সাজানো তৈরিকৃত নওগাঁ জেলার পুলিশী ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে মডেল ও বিশ্বদরবারে খ্যতি অর্জনসহ আইনী সমাজ বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
এসপি আরো বলেন, উন্নয়নের পূর্র্বশর্ত নিরাপত্তা। একটি নিরাপদ সমাজে নারী-পুরুষ যেন দিবা রাত্রি কাজ করতে সাচ্ছন্দবোধ করে এবং একটি নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে যেন তাদের বিচরণ হতে পারে। আর সেই বিচরনের মধ্য দিয়েই তাদের উৎপাদনশীলতা এবং সেবা প্রদানের মধ্য দিয়ে দেশকে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে। এই নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে এবং এই নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার তাঁর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিটিবি নিউজের একটি অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের দু’একজন অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পুলিশ বিভাগেরও দু’চার জন অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নানা অনিয়ম-হয়রানি নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের মাঝে হরেক রকমের প্রশ্ন উঁকি-ঝুঁকি মারছে। অসৎ পুলিশদের দ্বারা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ হয়রানির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছে বলেও সংশ্লিষ্টদের ধারনা। এখন-ই অসৎ পুলিশদের অনিয়ম, হয়রানির লাগাম টেনে ধরতে হবে। অন্যথায় ওই সকল দু’চার জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্ব-স্ব বিভাগের বদনাম অনেকের কানে ভেসে বেড়াচ্ছে। কর্তব্যে অবহেলা ওই সকল অন্যায় ও অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা এবং সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের সংশোধনে উদ্বুদ্ধকরণ এবং দৃশ্যমান শাস্তি প্রদানের মধ্যমে তাদেরকে ঢেলে সাজিয়ে উৎকৃষ্টমানের মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও টেকসই মানব সম্পদ গড়ে তুলে স্ব-স্ব বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আনতে হবে বলেও সমাজ বিশ্লেষকদের ধারনা। অপর দিকে অসৎ নেতাকর্মী ও সোর্সদের অন্যায় আবদার রক্ষা করতে গিয়েও অনেক সময় সাধারনের কাছে পুলিশসহ জেলা-উপজেলা প্রশাসনের আস্থা অনেকাংশে হারানোর লম্বা লাইনে অবস্থান করে বলেও তাদের ধারনা।
কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একই কায়দায় বদনামের হালখাতার লম্বা লাইনের মার প্যাচে ফেলে তারা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যাচ্ছে। উভয় বিভাগের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মনে করেন তারা যেন ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। সাধু সাবধান প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে প্রজাদের নানা ভাল কাজের লম্বা লাইনের সেবা নিশ্চিত করনের পাশাপাশি দু:খিনী মানুষের বর্ণমালায় সবাইকে একযোগে সেবার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
সরকারের গোয়েন্দা বিভাগের নওগাঁয় দায়িত্বশীল এনএসআই, ডিজিএফআই, সিআইডিসহ বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিকতার সাথে দূর্বার গতিতে নানা কাজ করে যাচ্ছেন বলেও বিটিবি নিউজের একটি অনুসন্ধানের আয়নায় উঠে এসেছে।
আর নয় অনিয়ম, দূর্নীতি ও পুলিশী হয়রানি। একটি সুখী সমৃদ্ধিশালী দেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রকৃত দল ত্যাগী নেতাকর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী, আইনজীবি, ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সকল সাংবাদিক ও বিচারক যদি সৎ ও কর্মঠ হন তাহলে খুব সহজেই সামাজের দুর্নীতির মুলোদপাটন করা যাবে বলেও সমাজ বিশ্লেষকদের ধারণা। আসুন আমরা সবাই এক হয়ে কাঙ্গিতমানের একটি সোনার বাংলাদেশ দেশ গড়ি। অন্যথায় নিভে ও ধুলিষ্যাৎ হয়ে যাবে আমাদের আগামী প্রজন্মের সোনালী জীবনের আশা আকাংখা।

LEAVE A REPLY