১৯টি রপ্তানিপণ্য টার্গেট করে কাজ করছে সরকার। -বাণিজ্যমন্ত্রী

১৯টি রপ্তানিপণ্য টার্গেট করে কাজ করছে সরকার। -বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের রপ্তানিপণ্য সংখ্যা বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। শুধু তৈরি পোশাকের উপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। তাই দেশের সম্ভাবনাময় ১৯টি রপ্তানিপণ্যকে টার্গেট করে সরকার কাজ করছে। রপ্তানিপণ্যকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানিপণ্যকে 'প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার' ঘোষণা করেছেন।

শনিবার ভার্চুয়াল পস্নাটফর্মে আইসিএবি আয়োজিত 'ডাইভারসিফিকেশন অব বাংলাদেশ এক্সপোর্ট বাসকেট : অপারচুনিটিস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস' শীর্ষক ওয়েবিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রম্নতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, কোভিড ১৯-এর কারণে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর মাঝেও রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চলছে, আমাদের রপ্তানি থেেেনই। কোভিড-১৯ পরবর্তীতে বাংলাদেশ আবার রপ্তানি বৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ইসিফোরজে নাএেকটি প্রকল্পের মাধ্যেেলদার গুড্‌স, পস্নাস্টিক, ইনফরমেশন

\হটেকনোলজি এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো চারটি রপ্তানি পণ্যের খাত পরিকল্পিতভাবে যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ভূবিরাদ্দ পাওয়া গেছে, নির্মাণ প্রক্রিয়া চলছে। এখানে দেশের শিক্ষিত যুবসমাজকে প্রশিক্ষণ, হাতে কলিেশক্ষা, ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনা এবং পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একটি পণ্যের কাঁচামাল থেকে শুরু করে প্যাকেটিং পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানের করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য সরকার কাজ করছে। বাণিজ্য সুবিধা আদায়ের জন্য পিটিবা এফটিএর মতো বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভুটানের সঙ্গে পিটিস্বাক্ষর করা হয়েছে, আরও বেশ কিছু দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রম্নত এগিয়ে চলছে, কয়েকটির কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে এসেছে। সরকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা ঘোষণা করেছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়েছে।