চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ঘটনাস্থলেই বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত করেন

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ঘটনাস্থলেই বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত করেন

বিশেষ প্রতিনিধি:  গত বুধবার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর তত্ত্বাবধানে প্রথমবারের মতো ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণসহ জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থে এবং সুশাসন ও ভোক্তার স্বার্থগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন, বিক্রয় রোধকরণ; ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ; ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থসমূহের অপব্যবহার রোধ এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মান ও সঠিক ওজন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত করেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর কর্ণধার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কুমার শিপন মোদকের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা  পর্যন্ত এই আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করেন বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হোসেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের শান্তিমোড়, বিশ্বরোড, উদয়ন মোড়, নিউমার্কেট এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন নামীদামী হোটেল, রেস্তোরাঁ, বেকারী, ফল-ভান্ডার, প্রধান প্রধান বিপনি-বিতানে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ওই অভিযানকালে বিপুল পরিমান পঁচা-বাসী ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতের উপকরণ এবং খাবার, বেকারী পণ্য, প্যাকেটজাত খাবার, পঁচা ফল, অনুমোদনহীন খাদ্যপণ্য ধ্বংস করা হয়। এসময় ব্যবসায়ী মহলসহ জনসাধারনকে সচেতন করা হয় এবং ব্যবসায়ী মহলকে ভবিষ্যতে এহেন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ হতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের কার্যক্রম এখন থেকে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে মর্মেও ব্যবসায়ী মহলসহ সর্বসাধারনকে অবহিত করা হয়। এসময় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের পরিচালিত এহেন কার্যক্রমে ব্যবসায়ী মহলসহ সর্বসাধারন তাঁদের সর্বোচ্চ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও আদালতের কার্যক্রম একইভাবে পরিচালনার করা হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত এর এই অভিযানে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  মো. তৌহিদুজ্জামান, র‍্যাব-৫ রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যবৃন্দ, জেলা পুলিশের সদস্য, ৫৩ বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্য, বিএসটিআই এর সদস্যবৃন্দ, দু’জন স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ পরীক্ষক, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজিরসহ আরো অনেকে যুক্ত ছিলেন। সমন্বিত অভিযানে সকলের সফলভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  কুমার শিপন মোদক মহোদয় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।